ঢাকা , বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ , ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাটোরে এনসিপির নির্বাচনী সমাবেশ মঞ্চে হাতাহাতি এপ্রিলে তীব্র তাপপ্রবাহ ও ঘূর্ণিঝড়ের আভাস রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ করার বিষয়ে ভারত কিছু জানায়নি ট্রাম্পের দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলল পুতিনের দেশ সাফাইকর্মীকে বাড়িতে ডেকে সোনার হার উপহার দিলেন কেন রজনীকান্ত? মানিকগঞ্জে পাকিস্তানি আগ্নেয়াস্ত্র, বোমা ও ককটেল উদ্ধার জামায়াত কর্মীর সিল জালিয়াতি, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শামিল: এ্যানি নোয়াখালীতে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা শিক্ষকের চিকিৎসার নামে নিঃসন্তান গৃহবধূকে কবিরাজের ধর্ষণ জামায়াত আমিরের ‘মন্তব্যের’ প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে ঝাড়ু মিছিল গোপনে ভোটের সিল বানিয়ে ব্যবসায়ী ধরা সীমান্তে বিপুল বিস্ফোরক ও অস্ত্র উদ্ধার করল বিজিবি ব্যবহৃত মোবাইল হস্তান্তর বা বিক্রির বিষয়ে নতুন নির্দেশনা বিটিআরসির ভোট নিয়ে যারা দ্বিধায় আছে, তারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনে আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত: সেনাপ্রধান ভূমিকম্পে আবারও কাঁপল দেশ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে বই তুলে দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান ক্ষমা না চাইলে ক্যান্টনমেন্টে জামায়াত প্রার্থীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের তারেক-জুবাইদার আজ বিবাহবার্ষিকী  ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান আসন্ন নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তারেক রহমান এগিয়ে: দ্য ইকোনমিস্ট

খ্রিস্টান-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ফ্রান্স, ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়া, এখন বেড়েছে মুসলিম জনসংখ্যা

  • আপলোড সময় : ০২-০৮-২০২৫ ১০:২৩:২৮ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-০৮-২০২৫ ১০:২৩:২৮ অপরাহ্ন
খ্রিস্টান-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ  ফ্রান্স, ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়া, এখন বেড়েছে মুসলিম জনসংখ্যা খ্রিস্টান-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ফ্রান্স, ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়া, এখন বেড়েছে মুসলিম জনসংখ্যা
 যুদ্ধ, অবৈধ অভিবাসন, ধর্মীয় রূপান্তর এবং বিভিন্ন সংঘাতের কারণে শরণার্থী সঙ্কটের মতো বিভিন্ন কারণে বিশ্বজুড়ে জনসংখ্যার একটি বড় পরিবর্তন ঘটছে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের একটি নতুন সমীক্ষা অনুযায়ী, গত ১০ বছরে খ্রিস্টান-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।  ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং অস্ট্রেলিয়া সহ প্রধান পশ্চিমি দেশগুলিতে খ্রিস্টানরা আর সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়।

পিউ রিসার্চার সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০১০-২০২০ সালের মধ্যে খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের সংখ্যা চারটি কমেছে। যদিও খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যার দেশের সংখ্যা এখনও সর্বোচ্চ। সমীক্ষায় প্রকাশ করা হয়েছে যে ২০২০ সালে ২০১টি দেশের মধ্যে ১২০টিতে খ্রিস্টানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল। অর্থাৎ, পৃথিবীর মোট দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ৬০%। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১০ সালে সংখ্যাটি ছিল ১২৪।

আরও পড়ুন: বিমানে ১৩ নম্বর সারির আসন না থাকার রহস্য কী? কেন বেশিরভাগ বিমান সংস্থা এটি এড়িয়ে যায়?

সমীক্ষা অনুযায়ী, খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলিতে জনসংখ্যা হ্রাসের প্রধান কারণ হল সাম্প্রতিক বছরগুলিতে খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করেছেন অনেক লোক। সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে যে খ্রিস্টধর্ম ত্যাগকারীদের একটি বড় অংশ অন্য কোনও ধর্ম বিশ্বাস করেন না। এমনকি নাস্তিক হিসেবেও নিজেদের পরিচয় দেন না। সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনগুলি লক্ষ্য করা গিয়েছে ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স এবং উরুগুয়েতে। এই দেশগুলিতে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা আর সংখ্যাগরিষ্ঠ নন। শেষ এক দশকে প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে সেই জনসংখ্যা। নাস্তিকের সংখ্যা এবং কোনও ধর্মে বিশ্বাসী নন এমন জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে আশ্চর্যজনকভাবে।

উরুগুয়ে আমেরিকা মহাদেশের এক মাত্র অখ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। এর জনসংখ্যার ৫২ শতাংশ কোনও ধর্মে নিজেদের পরিচয় দেন না। এই দেশে খ্রিস্টান জনসংখ্যা ৪৪ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০২০ সালে এমন দেশের সংখ্যা বেড়ে ১০-এ দাঁড়িয়েছে, যেখানে ২০১০ সালে এই সংখ্যা ছিল সাতটি। ফ্রান্স, ব্রিটেন এবং অস্ট্রেলিয়ায় কোনও সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মীয় গোষ্ঠী নেই। তবে, অধর্মীয় হিসাবে পরিচয় দেওয়া লোকের সংখ্যা খ্রিস্টানদের সংখ্যার কাছাকাছি বা তার চেয়ে বেশি বলে জানানো হয়েছে সমীক্ষায়।

পিউ রিসার্চের সমীক্ষা অনুযায়ী, ৫৩টি মুসমিল সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের জনসংখ্যায় কোনও পরিবর্তন হয়নি। দশ বছর আগে যা ছিল এখনও তাই-ই আছে। বিশ্বে মাত্র দু’টি হিন্দু দেশ আছে, ভারত এবং নেপাল। ভারতেই বিশ্বের হিন্দু জনসংখ্যার প্রায় ৯৫ শতাংশ বাস করে। যা বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশ। মরিশাসে হিন্দুরা বৃহত্তম ধর্মীয় গোষ্ঠী, কিন্তু সেই দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়। সমীক্ষায় বলা হয়েছে, বিশ্বে মোট সাতটি বৌদ্ধ ধর্মবলম্বী দেশ রয়েছে। যদিও ইজরায়েল বিশ্বের একমাত্র ইহুদি জনসংখ্যার দেশ।

পিউ রিসার্চ সেন্টারের 'ইউরোপে ধর্ম' সমীক্ষা অনুযায়ী, গত দশ বছরে মোট খ্রিস্টান জনসংখ্যা প্রায় ৮.৮% কমে ৫০৫ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। ইহুদি জনসংখ্যা ৮% কমে ১.৩ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু, প্রায় অন্যান্য প্রধান গোষ্ঠীর জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ধর্মীয় সম্পৃক্ততা নেই এমন লোকের সংখ্যা ১৩০ মিলিয়ন থেকে বেড়ে ১৯০ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে, যা ৩৭% বৃদ্ধি পেয়েছে। আশ্চর্যজনকভাবে, মোট মুসলিম জনসংখ্যা ৩ কোটি ৯২ লক্ষ ৮০ হাজার থেকে বেড়ে ৪ কোটি ৫৫ লক্ষে পৌঁছেছে। অর্থাৎ ১৫.৯% বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউরোপের তুলনামূলকভাবে কম হিন্দু জনসংখ্যাও ২০ মিলিয়নে পৌঁছেছে (৩০% বৃদ্ধি)।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান